Showing posts with label durba sengupta. Show all posts
Showing posts with label durba sengupta. Show all posts

Saturday, July 12, 2014

বিয়ে ও আমি, আমি ও বিয়ে

বিয়ে ও আমি| হ্যাঁ, এই বিষয়ে ব্লগ লেখার একটা প্রয়োজনীয়তা আমি অনেক দিন ধরেই অনুভব করছিলাম| আজ কিঞ্চিত সময় পেয়ে ভাবলাম দু-এক কথা লিখেই ফেলি| বিয়ে এই শব্দটির সাথে আমার পরিচয় থাকলেও খুব একটা জমাটি আলাপ পরিচয় বা পারস্পরিক গভীর টান নেই বলা যেতে পারে| বরং উল্টোটাই আছে বলা চলে| "বিয়ে" শুনলেই আমি উল্টো দিকে পলায়নপড় হয়ে উঠি| না, লজ্জায় নয়, বিরক্তি তে| অনাগ্রহটা যত না বিয়ের প্রতি তার থেকে বেশি যে ভাবে আমাদের সমাজে বিয়ে হয়, সেই আচার-বিচারের চরম অর্থহীনতা ও ব্যায়বহুলতা এবং সম্পূর্ণ যে এই বিয়ের আয়োজন, তা নিদারূন বিরক্তি উদ্রেক করে আমার মনে|

জানি, মানুষ সমাজবদ্ধ জীব| লোক লৌকিকতা করেই সবাইকে চলতে হয়| তবে আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিনটায় আমি বাদে সবার সব রকম মতামত থাকবে, এ আমি ঠিক মন খুলে মেনে নিতে পারলাম না| যে আত্মীয়দের জন্মকালে দেখিনি, তারা 2 দিন আগে থেকে এসে ঘর ভরে রাখবে, এবং শুধু বাড়িকে মাছের বাজার করে তোলাই নয়, সব বিষয়ে expert comment এবং suggestion দিয়ে যাবে সকাল সন্ধ্যে, ওটি সহ্য করার মতন ঠান্ডা মাথা আর যার হোক আমার নয়| জীবনটা আমার, বিয়েটাও আমি করতে চলেছি, তাই কোনটা হওয়া উচিত এবং কোনটা উচিত নয়, তা নির্ধারণ করার যুক্তিবুদ্ধিও আমার আছে বলেই আমার ধারণা| আবার গোদের উপর বিষফোঁরা, ধর্ম-কর্মের সাথে আমার একদমই আপোষ নেই সে কোন কাল থেকে| তাই সকাল থেকে ওই পুরুত-এর কীর্তি কলাপ দেখে রেগে-আগুন-তেলে-বেগুন হবার idea টাকেও আমি সমর্থন করতে পারলাম না|

এবার আসি আজকালকার বিয়ের "The Most Inevitable" part এ| Wedding Photography. ওই নেশা টি আমার এমনিই আছে, মানে photography-র| তবে, আবার সেই ভাবনা, জীবনের সেরা দিনটা ক্রমাগত কোন দিকে তাকিয়ে কী ভাবে হাসলে ফোটো ভালো উঠবে, ওই নিয়ে চিন্তিত হয়ে থাকাটা বড্ড প্রহসন লাগে| জানি, Facebook-এ picture-perfect cover photo upload করা এবং অসংখ্য Like পাওয়ার গর্বটাই অন্য রকম, তবে, Facebook-এর Likes এর দাম যদি বিয়ের ওই মুহুর্তগুলোর থেকে বেশি হয়, তাহলে ভাবনার আছে বইকী! তার উপর, আমি না হয় চরম নাস্তিক বা "typical feminist" তাই ওই সিন্দূর-শাঁখা-পলার কদর বুঝিনা বা মানিনা, কিন্তু যারা এসব খুব বোঝে এবং মানে তাদের যখন দেখি সিন্দূরদানের সময় ওই "moment" টাকে feel করার থেকে বেশি আগ্রহ photographer-এর দিকে তাকিয়ে লাজুক pose দেওয়ায়, বড়ই বিভ্রান্ত লাগে| বিদেশের মানুষ কিঞ্চিত আগে ভাবে সবকিছু, তাই ওখানে non-intrusive wedding photography টা আজকাল সবাই prefer করে দেখতে পাই| এ বঙ্গভূমিতে কবে এমনটা হবে?

আমার next concern হল সাজ পোষাক| আজ ওবধি আমি লিপস্টিক বা আইলাইনর বা কাজল, একটাও expiry date এর আগে শেষ করতে পরিনি| তাই ওসব কিনিওনা। এই তিনটে বস্তু বাদে আমার cosmetics collection এ আর কিছু নেইও| আর একদিকে, মেয়ে হয়েও সোনাদানার সাথেও আমার খুব একটা জমে না| কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা দিয়ে গয়না বানিয়ে জুজুদের ভয়ে আরো এক কাঁড়ি টাকা মাসে মাসে দিয়ে লকার-এর ভাড়া গোনার কোনো অর্থ আছে বলে তো আমার মনে হয়না| তবুও, আমার এহেন যাবতীয় অপদার্থতার জন্য মাফ চেয়ে নিয়েই বলি, এত সুন্দর একটা দিনে ওই makeup এর overdose আর গয়নার গা-কুটকুট্ নিয়ে চূড়ান্ত uncomfortable হয়ে আমি ঠিকঠাক বিয়েতে মনোনিবেশ বা বিয়েটা উপভোগ, কোনোটাই করতে পারবনা| গয়নারাও তাদের এহেন অপমানের চরম শোধ আমার উপর কোনো না কোনো প্রকারে তুলবেই, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত|

এবার আসি আর এক চরম চিন্তার point এ| Social Marriage. প্রথমত, Inflation এবং বাজারের অবস্থার দিকে চেয়ে এই ঘপাত করে কয়েক লাখ টাকা বিয়েতে "উড়িয়ে" দেওয়াটা আমায় বড় ভাবায়| মানে, বুঝলাম, আপনি "আমার আছে ওরাচ্ছি, তোমার তাতে কী হে বাপু" বলতেই পারেন, তবে ওই টাকাটা bank-এ থাকলে আপনারই সময়-অসময়ে কাজে লাগতো না? আজকাল তো একটা স্টিচ করতে গেলেও হসপিটালগুলো minimum 10,000এর বিল ধরায়| আর এই যে বিয়েতে টাকা খরচের প্লাবন এটা তো সেই চিরাচরিত মনুষ্য স্বভাব, Showoff এর ই জন্যে| Competition, showoff, টেক্কা দেওয়া - ওই সব আর কী! তাও আবার টেক্কা দেওয়ার জন্যে যাদের ডেকে এনে খাওয়াবেন তাদের মধ্যে 80% (বাংলায় আশি শতাংশ) পান মুখে দিয়ে বেরনোর সাথে সাথেই বলবে "ইস...এত বাজে কাবাব (যে কোনো আইটম বসিয়ে নিতে পারেন কাবাব এর জায়গায়) বাপের জন্মে খাইনি!" তা, আপনার লাভের লাভ কী হল? বা ধরুন পাত্রপক্ষ হলে পাত্রীপক্ষের তত্ত্ব দেখে মুখ ভার করবে and vice versa. (এটা আমার জন্ম থেকে আজ ওবধি দেখা সবকটা বিয়ের মিলিত অর্জিত জ্ঞান|)

আমি আবার আমার নিজের বা পরের লোকের পরিশ্রম করে আয় করা টাকায় হাজারটা লোক ডেকে এনে এই সার্কাস করার খুব একটা পক্ষপাতি নয়| ভুল কিছু বলে থাকলে মাফ করবেন| তবে এসব আমার একান্তই নিজের ভাবনা চিন্তা, সবাইকে যে এমনটাই ভাবতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই| বিশ্বের বৃহত্তম লোকতন্ত্রের স্বাধীন নাগরিক হবার দৌলতে এ স্বাধীনতা আপনার অবশ্যই আছে|

তাহলে, ভাবছেন আমার কী রকম বিয়ে পছন্দ??? সেটা আর একটা লম্বা কাহিনী, তাই এর পরের ব্লগের topic ওটা|

Friday, October 25, 2013

আমি, The Ego

আমি
চারপাশের নিকষ কালো বেড়াজাল
থমকে যাওয়া জীবনমুখী গান
বয়ঃসন্ধির উপচে পরা ঢেউ
বিজ্ঞাপনের লালাভ এক চোখ
আর একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা সময়
আমি-র দু-চোখে ঠুলি
জমা অন্ধকার।

অশরীরী ইমোশনের
দুর্বিনীত প্রলোভন
আক্রোশ
আর বিশ্বায়নের সাজা,
দ্বিখন্ডিত মন...
ঘাম চুঁইয়ে ঝরছে পরে বিশ্বাস
আর সমবেদনার ভিত।
রক্তবীজের আর এক নাম কি
আধুনিকতা?


Image Courtesy: TalkPhotography

Wednesday, February 6, 2013

ফাটল

বাঁধনের জটগুলো সব আলগা করে খোলা
একা ঘাস ফুল পাতা ছোঁয় আলতো করে মালী
যেখানে সন্ধ্যে নামে তিস্তা পারের খোঁজে
সেখানে নীলচে জলে শেষ বর্ষার বালি
যেটুকু মুক্তো ছিল পদ্ম পাতায় তোলা
জানিনা আজ কিরণে হীরে সাজায় কিনা
পথের ওই কোনায় রাখা দু-ফালি স্মৃতিতে
মিছে জল যায় এঁকে সব বিচিত্র আলপনা...



Photo Courtesy: Wallpaperup.com

Tuesday, February 5, 2013

ভ্রম

এক গুচ্ছ অভিমান
ধূসর কিছু ঘোলাটে স্মৃতি
কথা বলছে আজ
হাত ধরে।
হাতড়ানো অন্ধকার
চারপাশ ভেজা নীরবতায়
আকাশ থেকে হিমের মত
নামছে স্বপ্ন একটা দু'টো
পলি জমা চৌকাঠ
অচেনা নিঃশ্বাস সবার
যাবজ্জীবন দুঃস্বপ্ন বোনা
সাজাপ্রাপ্ত আসামী জীবন
কথার খেলাপে মৃত্যুভয়
একফোঁটা চোখের জল,
আহ!
মৃত্যু, তুমি বরাভয়!

কষ্ঠিপাথরে আঁকা দালান
স্বপ্ন ভাঙ্গছে একটা দু'টো
গভীর নিঃশ্বাসে ছন্দপতন
ব্যাকুল চোখে পেলবতা,
আজ আকাশজোড়া কাব্যকারী
বীতশোক মহামারী
কৃপণ যত ছায়াঘন মন
হায়! বন্ধদ্বার
কেউ কাউকে চায়েনা এখানে,
সবাই শুধু
আকাশকে ছুঁতে চায়!


Image credit: Passion Buddha

Friday, January 18, 2013

আমার অবচেতন

ভীড় বাস
মানুষের মিছিল
বহমান রাস্তা আর চোরা স্রোত
বন্ধ দু'চোখ
ক্লান্ত নজর
সহস্র মুখের ভীড়ে একটা মুখের
অন্তহীন খোঁজ।
শ্রান্ত উত্কন্ঠা
অলস পর্যবেক্ষণ
ঝাপসা মানুষের ভীড়
এক নিমেষে -
অলীক কিছু ছায়ায়
ভাসছে
আমার অবচেতন।


Wednesday, October 31, 2012

ভাবের ঘরে চুরি

শুকনো পাতা ঝড়ার নিস্তব্ধতা
আলোর অভিমুখে এগিয়ে চলার গতিহীনতা
আর ফুরিয়ে যাওয়া অভিব্যক্তি
আমাকে চেনায় জীবন|
শূন্যের ওপারেও থামেনা সময়
মিছে বকে মরে একফালি চাঁদ
অবিরাম বৃত্তের ঘূর্ণিপথে
বেঁচে থাকে এক কুচি প্রাণ|
নেশাতুর চোখে সমান্তরাল
কটা সীমাহীন লাইনের
সমান্তরালতা এঁকে বেঁকে মিশে যায়
প্রাণের আশায়|
স্থুল আবেগ মুখ ঢাকে
স্থূলকায় অঙ্গীকারের তীব্র বর্ণময়তায়
আর এক ফোঁটা সুখের পদধ্বনি
সুপ্ত চেতনার অভিপ্রায়|


Photocourtesy: Flickr

Friday, June 29, 2012

দু'কুচি পরাগ

একটা শালিক, একফালি রোদ
কানামাছি খেলা, বোধহীন বোধ|
জমছেনা তবু, কাটছেনা দাগ
কবিতার ভাঁজে দু'কুচি পরাগ|
একপেশে মন অধীনতা চায়
নামহীন গলি, অস্থির সময়|
ধারবাকি খাতা, ফাঁকা ইমারত
জেনেছিল শেষে অবেলা শরত্|
ডাক দিয়ে সাঁঝে, পালাবে ভাবিনি
বেঁধেছিল সুর বেহাগ যামিনী|
কথা কিছু আজও তবু মনে আছে
আঁকা-বাঁকা নদী হাঁপ ছেড়ে বাঁচে|
মাটির গভীরে শিকড়, বন্য অহংকার
কঠোর পাথরে লেখা ফুলের বিচার|
ক্লান্ত পথিক আর শ্রান্ত বাগিচা
মেঘবাড়ি জুড়ে কলমের খোঁচা|
তবু আসেনি আজও  আশাবরী রাগ
কবিতার ভাঁজে দু'কুচি পরাগ|


Monday, June 25, 2012

...ডাকে আয়

একা ঘরে বসে
আনমনা ভাবি
যত রাজ্যের ছাতাদের ছোট-বড় কথা কিংবা ব্যথা|
চমক ভাঙ্গে
কার যেন ফিসফাস ডাকে|
ফিরে দেখি আগন্তুক
আমার হাতে হাত রেখে চুপটি করে বসে!
বিস্ময় নিবিড় হয় যখন
আমার গালে এঁকে দেয় স্নেহের চুম্বন!
এ কোন মায়া?
হাতছানি দিয়ে ডাকে ছাদে
ভুলে যাই জীবনের যত ডেডলাইন|
'আয়' ডাকে কোথা থেকে ছুটে আসে
একঝাঁক নতুন বাতাস
আর
আমি আবার খেলায় মেতে উঠি|

ছোঁয়াছুঁই খেলা
প্রতিটি প্রাণ চুপি এসে কানে বলে যায়,
ওরা সৃষ্টির বার্তাবাহক!
ওদেরই অগুনতি আণুবীক্ষণিক কাঁধে সওয়ার হয়ে
দূর আকাশ থেকে মাটিতে আলতো পা রাখে
সৃষ্টির আদিম গর্ভধারিনী -
বর্ষা!


Saturday, May 19, 2012

Need Vs Necessity

প্রচন্ড গরম! সবাই চারপাশে হাঁসফাঁস করছে! ট্রেন-বাস-অটোএ প্রত্যেকটা মানুষ একটু মন জুড়িয়ে দেওয়া ঠান্ডা হাওয়ার জন্যে হাপিত্যেস করে বসে আছে| অথচ কোথায় সেই শীতল সমীরন? কোথায় গেল ঈশান-কোণ অন্ধকার করা কালবৈশাখীর ঘন করাল মেঘ?

আমার অফিস-বাড়ি যাতায়াতে ট্রেন একটা অপরিহার্য অঙ্গ| সকালের ট্রেনে সফরটাকে যদিও বা তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ বলা যায়| বা সেটা বললেই শুনতে ঠিক লাগে| আর ফেরার পথে যাদবপুর - বালিগঞ্জ এবং বালিগঞ্জ - দমদম (বজবজ-নৈহাটি) এ এক ভারী আরামদায়ক ক্ষণ| উঠেই সোজা গিয়ে দরজার পাশে দাঁড়াই যাতে পুরো রাস্তাটা ফুরফুরে হাওয়া খেতে খেতে এবং গান শুনতে শুনতে যাওয়া যায়| এই দমবদ্ধ করা গরমে এ এক স্বস্তি|

আগের সপ্তাহেও এমনই ট্রেনে দরজার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম| ট্রেন স্যার গুরুদাস হল্ট স্টেশন-এ দাঁড়াতেই হুড়োপাটি করে লোকজনের নামা-ওঠা হল| এজ মধ্যবয়সী মহিলা (daily passenger) উঠেই মধ্যিখানের রড ধরে মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে পড়লেন| মনে হল, শরীর খুব অসুস্থ| কিন্ত জানি উনি পরের স্টেশন, বিধাননগর-এই নেমে যাবেন এর পরের বনগাঁ লোকাল ধরবেন বলে, তাই ওনাকে ভিতরে ঢুকে বসার কথা বললাম না| ওনার বাকি সহযাত্রীদের আলাপ আলোচনা থেকে জানতে পারলাম - ওনার বাড়িতে পাখা নেই| মানে electricity connection নেই| ওনার High Blood Pressure, তাই এই গরমে সারা রাত ঘুম হয়না| উনি কলকাতায়  এক বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন| থাকেন বারাসত-এর ও অনেক স্টেশন পর| হঠাত্ দেখলাম উনি নীরবে কাঁদছেন| শরীর বেশি খারাপ হলে যদি কাজে আসতে না পারেন তাহলে যে একদিনের মাইনে কাটা যাবে ওনার!

সত্যি, মানুষের জীবন-সুখ-দুঃখ সব কত আপেক্ষিক! আমরা যারা  Corporate বা IT world-এ কর্মরত তারা এই দু'তিন ঘন্টার ট্রেনে-বাসে journey-তে বা বাড়িতে দু'ঘন্টা power cut হলে CESC-কে গালমন্দ করে থাকি! এটাই কী সেই চিরন্তন NEED vs NECESSITY-র লড়াই???


Thursday, April 19, 2012

শেষ স্বপ্ন

বাইপাসের ধারে
রাতজাগা পাখি ডাকে সুতীব্র স্বরে|
ভ্যাট-এর উচ্ছিষ্টভোজী কুকুরগুলো
একটা রুটির টুকরো নিয়ে মারপিট করে ম'লো!

লাস্ট বাস চলে যায়
ঘুমের দেশে পথচারী কিছু যাত্রী নিয়ে|
রোজকার মত ভিখারীটা
ওলটপালট করে ঝুরিটা আকাশপানে চেয়ে!
গাল দেয়, শাপ দেয়;
তবু যেন বদলাতে চায়না বেয়ারা আকাশটা,
কেবলই ওই সুদূর থেকে
শাপশাপান্তের ব্যুমেরাঙ্গ ছুঁড়ে মারে -
আর বখাটে ছেলেদের মত হাসে -
তার দুর্ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে!
তারপর...

ঘুমের যাদুকর শুরু করে তার যাদুকরী খেলা
পলকে
ভিখারীটা পৌঁছে যায়, সামনে এক মেলা
কত আশা, কত নিরাশা
আহুত হয় সেথা পসরার ডালী ভরে ভরে|
লোকে আসে-দেখে-কেনে,
নিয়ে যায় যে যার নিজের ঘরে|
সেও কেনে, দেখেনা;
ফুটপাথে এসে থলিটা উপুর করে ঢালে|
ভরে যায় মেঝেতে
রাশি রাশি...!

চলে যায় মারুতিটা,
পরে থাকে দেহটা;
ব্যার্থতার কালিমাখা মুখে|

Sesh Shopno

Saturday, April 14, 2012

Balance Sheet

বাড়ছে বয়স, কমছে আয়ু|
বাড়ছে দূষণ, কমছে বায়ু||

বাড়ছে নাশ, সৃষ্টি হ্রাস|
বাড়ছে ক্ষুধা, অরণ্য গ্রাস||

বাড়ছে যান, বাড়ছে গাড়ি|
কমছে জমি, বাড়ছে বাড়ি||

বাড়ছে পশু, কমছে মানুষ|
বাড়ছে নানান রঙ্গিন ফানুস||

কমছে স্নেহ, বাড়ছে ত্রাস|
কমছে ভালোবাসার বাস||

বাড়ছে প্রেশার, মন্দ রোগ|
কমছে শুভ বিবাহযোগ||

সংসারের এই ব্যালান্স-শীট-এ,
পেলে কি খুঁজে লাভকে নীটে?


Balance Sheet of Life

(P.S. ক্লাস 6-এ লেখা কবিতা) :-P

Friday, April 13, 2012

একটি গাছ আর একটি পুকুর

গাছের শেষে পুকুর

ক্ষণে ক্ষণে ঝুঁকে
স্পর্শ করছে বুক,
স্পর্শসুখের উল্লাস
ছোট ছোট ঢেউ|
ভাঙ্গছে পাড়, খেলাচ্ছলে
হাওয়ার মাতন উড়ো পাতা
টুপটাপ খসে পড়া তোমার
আমাকে দেওয়া উপহার|

রোদ-জল-বায়ু
তোমার বাস্পবারি সোহাগে
উচ্ছল|
মুঠো চুলে হাওয়ার কাঁপন
চুপি চুপি
দুটো কথা - ভাঙ্গা ডাল
এতটুকু ফাঁক আর
দুর্নিবার আকর্ষণ|

পুকুর পাড়ের গাছ

কী কথা কুলকুল
বওয়| অবুঝ মন জানে
না, তোমার অতল
রহস্যমাখা শরীর, মানে
নিদ্রিত রাত্রি, চাঁদে মুখ
দেখে আয়নায় - সুন্দর!
আমি দেখি তোমার
জোয়ার জাগা শরীর -
শিহরণ|

ছিঁড়ে যায় কোষ
স্নায়ু অসহ্য ক্রোধে
কার দুর্জয় সাহস?
তোমার কৌমর্যো অপহৃত
গভীর শরীরে আজ
অগভীরতা মাটির বোঝা!
আমার উপহার তোমাকে -
ঝরা পাতা - আজ
ভাসে কই?
চারিদিক নিস্তব্ধ কান্নায়
বোজা গলা তোমার,

আমার আজন্ম প্রেম
প্রস্তরীভূত আজ!

Ekti Gaach Aar Ekti Pukur

Sunday, September 18, 2011

অলীক কল্পনা

তোর সাথে কথা বলি আজও
নিঝুম রাত পান করে
যখন তিলোত্তমা কল্লোলহীনা
আর আমার ঘরে খুচরো স্মৃতি
ধূসর চরাচর
স্তব্ধ আলাপন

তোর রাগের ঢেউ বুকে ভাঙ্গে
সোহাগ যেন ভীরু পাখি
মুছতে চাইনি একটা দাগও
তবু সব প্রেম ধুয়ে গেল
আবার জলমগ্ন চরাচর
আর একা আমি নিশুতি রাত

তোর টুকরো হাসি আড়াল থেকে
ডাকছে আমায় আদর ভরে
ফাঁকা ঘরে উড়ছে চড়ুই
ভঙ্গুর আকাশ এক নিমেষে
সোঁদা মাটির গন্ধ নিয়ে
বাসছি ভালো আজও তোকে...

Broken Dreams